ফেনী শাহীন একাডেমি স্কুল কর্তৃপক্ষের বকেয়া চাঁপে অভিভাবকরা দিশেহারা

news news

news

প্রকাশিত: ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২০ | আপডেট: ৪:৪০:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২০

ফেনী শাহীন একাডেমি স্কুল কর্তৃপক্ষের বকেয়া
চাঁপে অভিভাবকরা দিশেহারা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফেনীর শাহীন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর রেজিষ্ট্রেশন শুরু হবে আগামীকাল সোমবার (১০আগষ্ট) থেকে।

স্কুলের নির্ধারিত মোবাইল নম্বর থেকে নবম শ্রেণীর বাড়ীতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদেরকে মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে বকেয়া বেতন ১০ আগষ্ট ১২টার মধ্যে বকেয়া বেতনসহ স্কুলে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত মার্চ মাস থেকে সকল বকেয়া বেতন পরিশোধ করে শ্রেণী শিক্ষকের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিতে নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে অধ্যক্ষ একরামুল হক ভুইয়া। এতে অনেক শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা ক্ষুদ্ব অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।

 

অভিবাবকরা অভিযোগ করেন গত ১৭ মার্চ স্কুল বন্ধ হয়ে যাবার পর থেকে আর কোন ক্লাস হয়নি। শাহীন একাডেমি গত মাসে অনলাইনে ক্লাস শুরু করলেও দুইদিন পর থেকে তা বন্ধ হয়ে যায়।

সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ১০ আগষ্ট থেকে শাহীন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বকেয়া বেতন দিতে চাপ দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ফেনী শহরের রামপুরে অবস্থিত শাহীন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের অনলাইনে ক্লাসের নাম করে করে এবং এসাইনমেন্ট দেয়ার কথা বলে গত ১৮ জুলাই ২/৩ হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে স্কুলে যেতে বাধ্য করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ ।

 

ওইদিন সকাল থেকে হাজারো শিক্ষার্থীকে একত্রিত করে বেলা ১২টার দিকে ক্লাস শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে এসাইনমেন্ট নিতে মার্চ মাসের পর থেকে সকল বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে চাপ দেয়।

এক পর্যায়ে যারা বেতন পরিশোধ করে তাদেরকেই এসাইনমেন্টের কপি দেয়া শুরু করলে অন্যরাও বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।

এ ক্ষেত্রে স্কুল কতৃপক্ষ বেআইনি ভাবে কৌশল অবলম্বন করে স্কুলের অর্জিনাল রসিদে বেতন আদায় না নিয়ে অস্থায়ী একটি রসিদে বেতন আদায় করেন।
গত ৭ জুলাই থেকে অনলাইন ক্লাস চালু করা হলেও নিয়মিত ভাবে অনলাইন ক্লাস হয় না বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।

এছাড়াও দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট গতি কম থাকায় অনলাইন ক্লাসে পাঠদানের কিছুই বুঝেন না শিক্ষার্থীরা।
অপরদিকে আবারও শাহীন একাডেমির সকল শিক্ষার্থী এবং অভিভাবককে মার্চ মাসের বকেয়া বেতন সহ আগামী ২৫ জুলাই স্কুলে উপস্থিত হয়ে এসাইনমেন্ট জামা দিতে শাহীন একাডেমির মোবাইল নাম্বার থেকে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

 

সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর পিতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, পরীক্ষার কথা বলে স্কুলে আসতে টেলিফোনে এবং ক্ষুদে বার্তা পাঠায়। স্কুলের আসার পর মার্চ মাসের বকেয়া বেতন দিতে বাধ্য করছেন ক্লাসের শিক্ষকরা। তিনি আরো অভিযোগ করেন স্কুলের অধ্যক্ষকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করছেননা।

এ বিষয় বক্তব্য জানতে একাধিকবার শাহীন একাডেমির স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ একরাম উল হক একরামকে একাধিকবার অফিসিয়াল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।