পিতৃ ভক্তির দৃষ্টান্ত, কন্যার কাছে করোনার পরাজয়

প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২১ | আপডেট: ৪:১৪:অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক :

অভিনন্দন!অভিবাদন,সম্বর্ধনা, শ্রদ্ধাঞ্জলী!জাহানাবাদ কন্যাকে।

কোথাও পিতার লাশ দাফনের আগে পুত্র কন্যার সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা, আবার করোনা আক্রান্ত মা’কে ভাওয়াল বনে বনবাস!করোনা আক্রান্ত পিতাকে হাসপাতাল ফেলে রাখা সহ শত শত কুৎসিত কাজ পুত্র কন্যারা করে যাচ্ছে।

তাদের পারিবারিক শিক্ষায় আঙ্গুল দিয়ে দেখালেন খুলনার কন্যা।বঙ্গ পিতাদের হৃদয় আজ আকাশ সমান।কন্যার পিতৃ ভক্তি যেন বায়েজীদ বোস্তামীর মাতৃভক্তির সাথে তুলনা যোগ্য

শুধু বিশ্বাস ও ভালোবাসার জোরেই না।পিতাকে আকাশ সমান উচ্চতায় দেখিয়েছেন খুলনার রমনী
।নিজে আক্রান্ত হওয়ার ভয় না করে পিতাকে জড়িয়ে ধরে তার পিতার মায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

পিতৃ ভক্তির রীতি সকল ধর্মে ই আছে।শ্রদ্ধা ভালবাসা, আর সাহস দিয়ে রমনি তার পিতার প্রতি,জন্ম দাতার প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করে।শ্রদ্ধা,আজ্ঞা আর ভক্তি দিয়ে যে কন্যা পিতার বুকে একাকার তার নাম ,ধাম,আর খ্যাতির জন্য বিখ্যাত থাকবে এ পৃথিবীর সকল পিতা ,পিতার পিতা।

বায়েজীদ বোস্তামীর মাতৃভক্তি ছিল উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আবার অনেক নারী,রমনি,কন্যা প্রতিদানের আশা না করে সাথী পিতৃহীন হওয়ার আশংখায় চরম অন্তধ্যানে জ্ঞান করে এক অংগে সৌখিন সৌন্দর্যের অন্তরে অন্তর্ভুক্ত করে রাখে যে কোন প্রেক্ষা পটে।
তাদের ভক্তির ধরন আর এশারা ,আবেগ প্রকাশের আবেশ যে আসমান জমিন একাকার করে দেয় সে উদাহরণ দিলেন খুলনার কন্যা

করোনার ভয়ে মুখে মাস্ক দিয়ে কাছে যাওয়া তো দুরে থাক। অনেক পুরুষ সন্তান পিতার সম্পত্তি ভোগ করেও পিতাকে জংগলে নির্বাসন দিয়েছে ।অনেকে তার রক্তের স্বজন কে ভুবনে ভুষন করতে অপারগ। সেখানে এক নারী তার পিতাকে নিজে নিশ্চিত আক্রান্ত হওয়ার আশংখা জেনেও গলা জড়িয়ে ধরে পিতৃ ভক্তির অনুষ্ঠানে তার পিতাকে সত্যিই নিশ্বাসে, বিশ্বাসে আঁকড়ে ধরার অন্তরাত্বার বাঁধনের বন্ধন তুলে ধরলেন মায়া, মমতা প্রকাশের আভাস ভুমি বাংলাদেশ সহ সমগ্রে বিশ্বে।

করোনার ভয় তাকে বারিত করতে পারে নাই।বরং করোনা চেয়ে ,বিশ্বে চেয়ে দেখেছে পিতাকে বাঁচানোর চেষ্টা।গলা ধরে পাশে থেকে মৃত্যু যাত্রায় নিশ্বাস দেওয়ার হৃদয়বিদারক দৃশ্য!

তাতে তার সংস্পর্শ ও সাহচর্য এক মুহূর্তের জন্য হলেও অন্তত নিশ্বাস পেয়েছে তার পিতৃ আত্ম। গর্ব করে সারা পৃথিবীর পিতৃ ভক্তি রমনিকুল আলেখ্য উপস্থাপন করবেন যুগ যুগ ধরে।ধ্বনিত হবে আসমান জমিন পিতা কন্যার সম্পর্ক। এ যেন শেষ যাত্রায় পুন দেখা।

পাশাপাশি রমনিত্তম ,নারীত্বের প্রেম, ভালবাসা ,ভক্তি,শ্রদ্ধা পেয়ে মারা গেলেও ঐ পিতা উদাহরণ হয়ে কল্পনার সিংহাসনে কল্পকাহিনী কে বাস্তবতায় রুপ দিয়েছেন তার ইহকালের শেষ ক্ষনে। ।
সার্থক হয়েছে মা’রুপে কন্যার বুকে শেষ যাত্রার শেষ নিঃশ্বাস।

ঔরসজাত কন্যার হৃদ স্পন্দনের শেষ নিশ্বাস পিতা কন্যার সম্পর্ক কে বিশ্বজুড়ে তুলে ধরল ঠিকই, এ যেন ক্ষণিকের জন্য হলেও করোনা কে পিতৃ ভক্তির চপেটাঘাত যা বিশ্বাসে গড়ে উঠা বিশ্বের কোটি কোটি পিতা কন্যাকে ,রক্তের সম্পর্কে গড়া যৌথআত্মাকে একক ভাবে বেঁচে থাকার সংগ্রাম কে প্রেরণা দিবে।